মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন

অতিরিক্ত ভালোবাসার কুফল হচ্ছে “অবহেলা”

অতিরিক্ত ভালোবাসার কুফল হচ্ছে “অবহেলা”

নিউজটি শেয়ার করুন

রিমা বেগম পপি : প্রথম পরিচয়ে খুব বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে মিথিলা।
অভি তার দুঃসময়ের বন্ধু ছিল,কিন্তু অভি নিজ থেকেই
মিথিলাকে অাপন করে নিয়েছিল।মিথিলার মনে ভয়
ছিল,কিন্তু দুর্বলতা মিথিলাকে আকৃষ্ট করে দেয় অভি
নামের ছেলেটির কাছে।জীবনে চলার পথে
কে জানতো অভি এত বড় অভিনেতা।
পরিচয়ের কিছুদিন পর মিথিলাকে বিয়ে করতে চায়
অভি,মিথিলা রাজী হয়না।অভি বলে আমরা দুজন লুকিয়ে
বিয়ে করবো,যখন পরিবারকে জানানোর
প্রয়োজন মনে করবো তখন না হয় তা প্রকাশ
করবো।মিথিলা রাজী হয়না। কারণ সে লুকিয়ে বিয়ে
করতে চায়না।

অাস্তে আস্তে সম্পক গভীর হতে থাকে।অভির
প্রতি মিথিলা প্রচন্ড দূর্বল হয়ে পড়ে,একদিন যদি
কোন কারণে দেখা না হয় তাদের মিথিলা অভির বাসার
সামনে চলে যেত।মেঘ,বৃষ্টি রৌদে,এমনকি
জ্বরের মধ্যে ও মিথিলা দাড়িয়ে তাকতো ঘন্টার পর
ঘন্টা।এক বার অভিকে দেকবে বলে।মিথিলা নিজে
অভিকে সব সময় বাসায় পৌছে দিত।এমন কোন দিবস
নেই যে,মিথিলা অভিকে উপহার দেয়নি,নানা রকম কৌশল
অবলম্বন করে উপহার দিছে।
মিথিলা চেয়েছিল অভির সমস্ত জিনিসপএ থাকবে মিথিলার
দেওয়া,পায়ের জুতা থেকে শুরু করে প্যান্ট,টিশার্ট
,ঘড়ি,মানিব্যাগ সহ সব।এমনকি মোবাইলে লোড টাও
ভরে দিতত।যাতে করে কোন না কোন ভাবে
মিথিলার কথা অভি সরন্ম করে।এক ধরনের পাগলামি কাজ
করত সব সময় মিথিলার মনে।যে কাজগুলো একজন
প্রেমিকের করার কথা ঔই কাজগুলো মিথিলাই করত।
মিথিলা অাস্তে অাস্তে অভির প্রতি এতটা দুর্বল হলো
যে,সে জীবনটাই ওকে তুলে দিতে রাজী।
কি আশ্চর্য,
অভি র মনে মিথিলার জন্য যে ভালোবাসাটা ছিল তা
অাবেগের।আস্তে আস্তে অভি বদলে গেল।
মিথিলাকে সে এখন আর আগের মত মিস করেনা।
প্রয়োজন ছাড়া ওকে পাত্তাই দেয়না।
মিথিলা অনেক বার সম্পককে জোর করে আটকে
রাখতে চায়।অভির সামনে দূর্বলতা প্রকাশ করে কান্না
করে,কিন্তু মিথিলার চোখের জলের দাম দিতে
শিখেনি অভি।অনেক বার চেষ্টা করে ও যখন
বুজতে পারলো অভি অন্য কারো ভালোবাসায়
অাকৃষ্ট,তখন সে কষ্ট পায়নি,থমকে গেচে।
জীবনের চরম একটা মূহুর্ত যে মিথিলারর জীবনে
অাসবে ভাবতে পারেনি।জীবনে কোনদিন অভির
থেকে কোন রকম গিফট সে নেন নি।সব সময়
অভির সুখের কথা চিন্তা করে পরিবারের সাথে কত
বাজে ব্যবহার করেছে।কত বড় বড় বিপদে অভির
সামনে দাড়িয়ে সাপোর্ট করেছে।নিজের পরিবার
কে ছোট করে,নিজেকে ছোট করে অভির
সম্মানকে রক্ষা করেছে।
সেই অভি অাজ বড় মনের পরিচয় দিয়েছে।এক
সাপ্তাহ,এক মাস,দুই মাস কেটে গেল,অভির কোন
পরিবর্তন নেই।নিজের কষ্টটাকে মাটি চাপা দিয়ে মিথিলা
সরে গেল অভির জীবন থেকে।মুক্ত করে
দিলো অভিকে।খাচার ভেতর থেকে যেমন
পাখিকে মুক্ত করে দেয় তেমন করে।
মিথিলা আজ একা,নিরবে চোখের পানি ঝরে আর চিন্তা
করে এই যুগের মেয়েরা তো ছেলেদের কাছ
থেকে শুধু নিতে শিখেছে,আমি ই ছিলাম তার
ব্যতিক্রম। তাই শেষ উপহারটা ভালোই পেলাম।সুখে
থাক অভি তার অভিনয় মাখা ভালোবাসা নিয়ে।মিথিলা
ধৈর্য্যের পরিক্ষায় আজ পরাজিত,,,,

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ