সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:৩২ অপরাহ্ন

আনারসের বাম্পার ফলনে মৌলভীবাজারের চাষিদের মুখে হাসি

আনারসের বাম্পার ফলনে মৌলভীবাজারের চাষিদের মুখে হাসি

নিউজটি শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিনিধি : মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলার পাহাড় টিলার দিগন্তজুড়ে এখন সুস্বাদু রসালো ফল আনারস। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে জেলায় আনারসের বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে লাভের আশা করছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় জেলা কৃষি বিভাগ বলছে, উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষকদের সব ধরণের সহযোগিতা দেয়া হয়েছে।
উঁচু-নিচু পাহাড়-টিলার বুক চিরে সারি সারি সাজানো-গোছানো আনারস বাগান। থোকা থোকা গাঢ় সবুজের ডানা মেলেছে ছোট-বড় শত শত কাঁচা পাকা আনারস। এমন দৃশ্য এখন মৌলভীবাজারের বিভিন্ন পাহাড় টিলায়।
আবহাওয়া ও মাটি দুটোই অনুকূলে থাকায় সদর, শ্রীমঙ্গল, রাজনগর, কুলাউড়া, জুড়ি ও বড়লেখাসহ ৭টি উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে হানিকুইন, ক্যালেঙ্গা, জায়ান্ট কিউ ও জলডুবি জাতের আনারস। বাম্পার ফলন হওয়ায় খুশি কৃষকরা। তবে আনারস চাষে উৎসাহিত করতে সরকারিভাবে সার, ওষুধ ও কীটনাশক সরবরাহের দাবি তাদের।
চলতি মৌসুমে অধিকাংশ চাষীই, আধুনিক পদ্ধতির সাহায্য নিয়ে শুধু গোবর আর জৈব সার ব্যবহার করেই আনারস চাষ করছেন। উৎপাদনও হয়েছে বেশ ভালো। তবে আনারস সংরক্ষনের ব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। বাধ্য হয়ে, উৎপাদিত আনারস একসঙ্গে বাজারে তুলতে হচ্ছে তাদের। ফলে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।
দীর্ঘদিন ধরেই আনারস সংরক্ষণ করতে হিমাগার স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছেন চাষিরা। মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকারদের কাছে শ্রীমঙ্গলের আনারসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

আনারস চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষকদের সব ধরণের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান শ্রীমঙ্গল উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি।
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে আনারস চাষ করা হয়েছে। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ২৪০ মেট্রিক টন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ