বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন

“এক বছরে ৩৩৪ শ্রমিক আন্দোলন”

“এক বছরে ৩৩৪ শ্রমিক আন্দোলন”

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত ডেস্ক:বিভিন্ন সেক্টরে ৩৩৪টি শ্রমিক আন্দোলনের ঘটনা ঘটেছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১২৩টি আন্দোলন ঘটে তৈরি পোশাক খাতে। অধিকাংশ আন্দোলনের কারণ ছিল ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা।

মঙ্গলবার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের সভাকক্ষে মতবিনিময় সভায় এক জরিপে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

জরিপে বলা হয়, ৪৬টি শ্রমিক আন্দোলনের ঘটনা ঘটে গণমাধ্যমে। পরিবহন খাতে ৩২টি, শিক্ষাখাতে ১৬টি, পাটকল শিল্পে ১৬টি, স্বাস্থ্যখাতে ১৪টি, বিদ্যুতে ৯টি, বিড়িশিল্পে ৯টি, সিটি কর্পোরেশনে ৭টি এবং চাশিল্পে ৬টি আন্দোলনের ঘটনা ঘটে।

জরিপ অনুযায়ী, শ্রমিকদের অধিকার ও তাদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে ১৪৮টি শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনা রয়েছে। এর মধ্যে বকেয়া বেতনের দাবি, বিভিন্ন অধিকার আদায়ের দাবি, কারখানা বন্ধ এবং কম মজুরির বিষয় রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম। অধিদফতরের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি অভিহিতকরণ বিষয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সচিব কে এম আলী আজম বলেন, শ্রমিক-মালিক ও সরকারের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তা আরও সম্প্রসারণ করতে হবে। কেউ কাউকে প্রতিপক্ষ ভাবার সুযোগ নেই। প্রত্যেককেই একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে। ভবিষ্যতে অটোমেশনের কারণে অনেকে ছাঁটাই হবে, তখন শ্রমিকদের টিকে থাকাটাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

সচিব বলেন, সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গঠনের দিকে জোর দিচ্ছে। আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। এক্ষেত্রে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। খুব দ্রুত সমাজ পরিবর্তন হচ্ছে। এর সঙ্গে সমানতালে কর্মের অনুকূল পরিবেশও তৈরি হচ্ছে। তবে অটোমেশনের ফলে ভবিষ্যতে অনেক শ্রমিক ছাঁটাই হতে পারে। তবে মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে টিকে থাকাটাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

সভায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদফতরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায়ের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন- অধিদফতরের উপ-মহাপরিদর্শক মেহেদী হাসান, যুগ্ম মহাপরিদর্শক জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ