বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন

এটা ঐক্যফ্রন্টের নেতিবাচক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ

এটা ঐক্যফ্রন্টের নেতিবাচক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত ডেস্ক:গণভবনে প্রধানমন্ত্রী যে চা-চক্রের আয়োজন করেছেন, সেখানে যোগ দিয়ে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট খোলামেলা আলাপ করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চা-চক্রের আহ্বান বিএনপি বর্জন করেছে। চা-চক্রে অংশগ্রহণ না করাটা বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের নেতিবাচক রাজনীতি ও মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। নেতিবাচক রাজনীতির কারণে বিএনপি খাদের কিনারে চলে এসেছে। বিএনপি যদি তাদের চিরাচরিত নেতিবাচক রাজনীতির ধারা আঁকড়ে ধরে থাকে, তাহলে তারা অন্ধকারে খাদে পড়ে যাবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুক্রবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সদস্যদের সংসদে না যাওয়ার প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, সংসদ বর্জন করা দলের জন্য ক্ষতিকর। নির্বাচনে জয়-পরাজয় আছে। রাজনীতিতে জোয়ার-ভাটা আছে। ঐক্যফ্রন্ট-বিএনপি সংসদ বর্জনের মতো অগণতান্ত্রিক মানসিকতার প্রকাশ ঘটালে সেটা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়। তাদের নিজের অস্তিত্বের জন্য ক্ষতিকর।

সেতুমন্ত্রী বলেন, গত সংসদে না থেকেও নির্বাচনে তারা যতটুকু বিজয়ের অংশীদার হয়েছে, এটা নিয়েই তাদের সংসদে যাওয়া উচিত। সংসদের ভেতরে-বাইরে দুই ক্ষেত্রেই আন্দোলন করা যায়। তারা সংসদে গেলে বিরোধী কণ্ঠ উচ্চারিত হবে।

তিনি আরও বলেন, গত ১০ বছরে বারবার চেষ্টা করেও বিএনপি সাড়া জাগানোর মতো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। নির্বাচনের পর আন্দোলনের কোনো বস্তুগত পরিস্থিতি বিরাজ করছে না, যার মাধ্যমে তাদের সাফল্য আসে। তারা আন্দোলনের ডাক দিতে পারে, জনগণ যদি সাড়া না দেয়, সাফল্য আসবে না।

বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সংসদে গিয়ে জোরাল ভাষায় কথা বলে সংসদের ভেতরে একটি আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, এই নির্বাচনের পর বিশ্বের উন্নত গণতান্ত্রিক দেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে। এমনকি জাতিসংঘও সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করার জন্য চিঠি দিয়েছে। বিএনপি যদি এ অবস্থায়ও সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি আঁকড়ে ধরে, তাহলে তারা আরও বড় ভুল করবে। বিদেশেও তাদের বন্ধুদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। বিদেশে তাদের বন্ধু বলে কেউ থাকবে না।

ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, অতীতেও বিভিন্ন হলে ডাকসু নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র ছিল। এ নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। ডাকসু নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। শিক্ষার্থীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ