শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

এটা নির্বাচন নয়: ফখরুল

এটা নির্বাচন নয়: ফখরুল

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত ডেস্ক :  বিএনপির মহাসচিব  বলেন, ‘শুনেছি খুলনায় ভোটের কাস্টিং ৬০ ভাগের উপরে দেখানো হয়েছে। অথচ দুপুরের পরে কোনো কেন্দ্রেই ভোটারকে দেখা যায়নি।’

আজকে যদি সেনাবাহিনী থাকতো, তাহলে খুলনা নির্বাচনের এই দশা হতো না বলে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জয়-পরাজয় আলাদা। কিন্তু প্রতিপক্ষ নির্বাচন করতে পারবে না, এজেন্টদেরকে বের করে দেবে। এটা নির্বাচন হতে পারে না, এটা নির্বাচন নয়।’

১৫ মে, বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশা‌নের রাজ‌নৈ‌তিক কার্যাল‌য়ে রাতে দলের স্থায়ী কমিটিসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর দলটির মহাসচিব সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

খুলনা সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি বলে দাবি করেন বিএনপির মহাসচিব। এর জন্য পুলিশ বাহিনীর ক্ষমতাসীনদের পক্ষাবলম্বন এবং নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতাকে দায়ী করে ফখরুল বলেন, ‘খুলনায় নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা ও তাদের অযোগ্যতা এবং পুলিশি হামলা ও নির্যাতনের কারণে বিএনপিকে দাঁড়াতেই দেওয়া হয়নি।

প্রত্যেকটি কেন্দ্রের সামনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগের সঙ্গে পুলিশি হামলা ও নির্যাতনের মাধ্যমে সাধারণ ভোটারদেরকে কেন্দ্রে আসতে দেওয়া হয়নি। এই অবস্থায় বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। আমাদের এই নির্বাচনি ব্যবস্থা প্রহসনে পরিণত হয়েছে।’

একই সঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের দাবি জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর কারো আস্থা থাকছে না। নির্বাচন কমিশন কোনোমতেই নিরপেক্ষভাবে কাজ করার যোগ্য নয়।

এর আমূল পরিবর্তন না হলে কোনো নির্বাচনই অর্থবহ হবে না। খুলনার নির্বাচনের পরে আমরা ভালোভাবে বলতে চাই, একটা নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনোভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব না।’

খুলনায় দলের শক্তিশালী সংগঠন থাকার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুলনায় আমাদের শক্তিশালী সংগঠন আছে। গতবার আমাদের প্রার্থী বহু ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল। খুলনা শহরের যে আসন, সেই আসনে আমাদের প্রার্থী নুরুল ইসলাম মনজু বারবার নির্বাচিত হয়েছেন। সেখানে শুধু নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতার কারণে পুলিশি হামলার কারণে বিএনপিকে সেখানে তারা (সরকার) দাঁড়াতেই দেয়নি।’

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, ‘শুনেছি খুলনায় ভোটের কাস্টিং ৬০ ভাগের উপরে দেখানো হয়েছে। অথচ দুপুরের পরে কোনো কেন্দ্রেই ভোটারকে দেখা যায়নি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গ টেনে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার, সংসদ ভেঙে দেওয়া ও নির্বাচনের সময়ে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবির কথা পুনরুল্লেখ করেন বিএনপির মহাসচিব। একই সঙ্গে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানান বিএনপির এ নেতা।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ