বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন

জি কে শামীমের কর ফাঁকি তদন্তে সিআইসি

জি কে শামীমের কর ফাঁকি তদন্তে সিআইসি

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত ডেস্ক:কথিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কর ফাঁকি দিচ্ছে কিনা তার সন্ধানে নেমেছে এনবিআর’র কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)। ইতিমধ্যে কর সার্কেল থেকে আয়কর নথি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইসিতে তলব করা হয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, জি কে শামীম ও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকি উদঘাটনে এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে শামীমের সম্পদের অনুসন্ধান করা হচ্ছে। আয়কর রিটার্নে ঘোষিত সম্পদের সঙ্গে প্রকাশিত সম্পদের তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে। যেসব জায়গায় অসঙ্গতি পাওয়া যাবে, সেখানে সিআইসির নিজস্ব টিম পাঠিয়ে অনুসন্ধান করা হবে। এছাড়া তার আয়-ব্যয়ের তথ্য পর্যালোচনা করতে ব্যাংক হিসাব তলব করা হবে। একইভাবে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকির বিষয় খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এনবিআরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর জি কে শামীমের কর ফাঁকির অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। আয়কর রিটার্নে ঘোষিত সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে প্রকৃত সম্পদের গরমিল রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া তার লাইফস্টাইলের সঙ্গে প্রকৃত জীবনযাপনে অসঙ্গতি রয়েছে। কর ফাঁকি দিতেই ইচ্ছাকৃতভাবে রিটার্নে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কর ফাঁকি উদঘাটিত হলে ফাঁকি দেয়া করের সঙ্গে জরিমানা আরোপের বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রথম বছরের জন্য ফাঁকি দেয়া করের ১৫ শতাংশ জরিমানা করার বিধান রয়েছে। বছর হিসেবে জরিমানার পরিমাণও বাড়ে। করদাতা ফাঁকি দেয়া কর পরিশোধ না করে কর আদায়ে প্রাথমিকভাবে ব্যাংক হিসাব জব্দ ও পরে সার্টিফিকেট মামলা করার বিধান রয়েছে আয়কর অধ্যাদেশে।

প্রসঙ্গত, এক সময় যুবদলের সহসম্পাদক জি কে শামীম আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ভোল পাল্টে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের নেতা বনে যান। তিনি নিজেকে যুবলীগের সমবায় সম্পাদক হিসেবে দাবি করেন। এই পরিচয়ে তিনি সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে ঠিকাদারির কাজ পান। গণপূর্ত ভবনের বেশির ভাগ ঠিকাদারি কাজ তার নিয়ন্ত্রণে। বাসাবোর কদমতলার ১৭ নম্বরের পাঁচতলা বাড়ি জি কে শামীমের। বাড়িটি ম্যানেজার হিসেবে দেখাশোনা করেন স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের একজন সহসভাপতি। বাসাবোতে তার আরও তিনটি ভবন আছে। ডেমরা ও দক্ষিণগাঁও ছাড়াও সোনারগাঁ উপজেলা, বান্দরবান ও গাজীপুরে কয়েকশ’ বিঘা জমি কিনেছেন তিনি।র

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ