বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯, ০৮:০৩ অপরাহ্ন

টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে হারিয়ে শেষ আটে ইংল্যান্ড

টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে হারিয়ে শেষ আটে ইংল্যান্ড

নিউজটি শেয়ার করুন

স্পোর্টস ডেস্ক:নাটকের পর নাটক জন্ম দিল ইংল্যান্ড-কলম্বিয়া ম্যাচ। প্রথমে জয় দেখছিল ইংল্যান্ড। সেখানে অন্তিমলগ্নে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় কলম্বিয়া। ইনজুরি টাইমের তৃতীয় মিনিটে দুর্দান্ত হেডে দলকে সমতায় ফেরান ইয়েরি মিনা। ফলে ১-১ সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের খেলা। স্বভাবতই ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও নিষ্পত্তি হয়নি। এতে দ্বারস্থ হতে হয় টাইব্রেকার নামক ভাগ্যে। যেখানে জিতে যায় গেল থ্রি লায়নসরা। ৪-৩ গোলে হারিয়ে সবশেষ দল হিসেবে শেষ আটে নাম লেখাল তারা।

শেষ ষোলোর সবশেষ ম্যাচে স্পার্টাক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড ও কলম্বিয়া। শুরু থেকেই মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে খেলতে থাকে ইংলিশরা। ৬ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় তারা। ডি বক্সের সামান্য বাইরে ফ্রি কিক পায় কেনরা। তা থেকে দুর্দান্ত শট নেন অ্যাশলি ইয়াং। তবে তার শট দারুণ নৈপুণ্যে পাঞ্চ করে প্রতিহত করেন ডেভিড ওস্পানিয়া। ১৬ মিনিটে ট্রিপিয়েরের ক্রসে গোলমুখে হেড করেন কেন। কিন্তু তা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

এরপর অধিকাংশ সময় বল দখলে রেখে আক্রমণে উঠে ইংল্যান্ড। তবে তাদের পরিকল্পিত কোনো আক্রমণই আলোর মুখ দেখেনি। কলম্বিয়ার জমাট রক্ষণভাগ ডিঙাতে পারেনি তারা। মাঝে মাঝে বল নিয়ে ক্ষীপ্রগিতর দৌড় দিয়েছে কলম্বিয়ানরা। তবে তাদের সব প্রচেষ্টা থেমেছে প্রতিপক্ষের ডি বক্সের সামনে গিয়ে। ৪১ মিনিটে আবার ডি বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় ইংল্যান্ড। এবার শট নেন ট্রিপিয়ের। তবু সাফল্য আসেনি। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়।

বিরতির পরও আক্রমণের গতি সচল রাখে ইংল্যান্ড। এবার গোল পেয়ে যায় ১৯৬৬ বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ৫৪ মিনিটে ডি বক্সে হ্যারি কেনকে গুরুতর ফাউল করেন কার্লস সানচেজ। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তা থেকে নিশানাভেদ করতে মোটেও ভুল করেননি কেন। এ নিয়ে এবারের বিশ্বকাপে ব্রিটিশ গোলমেশিনের গোল হলো ৬টি। এর সুবাদে গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে এগিয়ে গেলেন তিনি।

পিছিয়ে পড়ে গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে পড়ে কলম্বিয়া। মুহুর্মুহু আক্রমণে ইংলিশ শিবিরে ত্রাস ছড়ায় তারা। ৮১ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ পায় ল্যাতিন আমেরিকার দলটি। তবে গোলরক্ষককে একা পেয়েও ঠিকানায় বল পাঠাতে পারেননি হুয়ান কুয়াদ্রাদো। পরক্ষণে ফের সুযোগ পায় তারা। এবার মিস করেন রাদামেল ফ্যালকাও। এতে মনে হচ্ছিল হেরেই মাঠ ছাড়ছে তারা।

কিন্তু না নাটকের বাকি ছিল তখনও। একেবারে অন্তিমলগ্নে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় কলম্বিয়া। আবারো ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হন ইয়েরি মিনা। ইনজুরি টাইমের তৃতীয় মিনিটে দুর্দান্ত হেডে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়ে দলকে সমতায় ফেরান তিনি। ফলে ১-১ সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা।

স্বভাবতই ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। তবে এ সময়েও নিষ্পত্তি ঘটেনি ঘটনাবহুল ম্যাচটির। ১-১ সমতাতেই পরিসমাপ্তি ঘটে। ফলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকার নামক ভাগ্যে। যেখানে জিতে যায় ইংল্যান্ড। ফলে বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন গ্যারেথ সাউথগেটের শিষ্যরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ