মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ০২:৩২ অপরাহ্ন

দুর্নীতি প্রতিরোধে ২০ দফা সুপারিশ দুদকের

দুর্নীতি প্রতিরোধে ২০ দফা সুপারিশ দুদকের

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত ডেস্ক:গণপূর্ত অধিদফতরের ১০টি দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গঠিত প্রাতিষ্ঠানিক টিম। এসব দুর্নীতি প্রতিরোধে ২০ দফা সুপারিশও করেছে দুদক।

বুধবার (৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের হাতে তুলে দেন দুদকের কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক খান।

দুর্নীতির উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে- টেন্ডার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতি, যেমন- যথাযথভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করা, অপছন্দের ঠিকাদারকে নন রেসপন্সিভ করা, অস্বাভাবিক মূল্যে প্রাক্কলন তৈরি, ছোট ছোট প্যাকেজে প্রকল্প প্রণয়ন, টেন্ডারের শর্তানুসারে কাজ বাস্তবায়ন না করা।

এছাড়া নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার, প্রকল্প প্রণয়ন, তদারকি, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কাজে ধীরগতি, প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম, অনাবশ্যক প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি, স্থাপত্য ও কাঠামোগত নকশা চূড়ান্তে বিলম্ব, প্রত্যাশী সংস্থার প্রয়োজন মতো জরুরি ভিত্তিতে কার্য সম্পাদন না করা, সেবা প্রদানের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অসহযোগিতা, সময়মতো ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ না করা এবং বরাদ্দ থাকার পরও ঠিকাদারদের আংশিক বিল পরিশোধ করার বিষয়টিকে দুর্নীতির উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে দুদক।

দুদক কমিশনার বলেন, দুদক ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করে টিম গঠন করেছে। একেকটি মন্ত্রণালয় সম্পর্কে একেকটি টিম। টিমগুলো ওইসব প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা-সক্ষমতা, কাজের গাফিলতি, দুর্নীতিপ্রবণ যে জায়গাগুলো, কোন কোন ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করলে দুর্নীতি রোধ করা যায় সেই বিষয়গুলো পরীক্ষা করে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। ২৫টির মধ্যে আজকের প্রতিবেদনটি ১৫তম।

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, এই প্রতিবেদন আমাদের কাজের গতি বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা আনতে এবং জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারি- এই গাইডলাইকে আমরা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ