শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন

‘নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বলা বেআইনি’

‘নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বলা বেআইনি’

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত ডেস্ক : নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বলা বেআইনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, তারেক রহমানের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। নাগরিকত্ব সবার জন্মগত অধিকার। এটা নিয়ে কথা বলা বেআইনি। এটা নিয়ে কথা বলার অধিকার কারও নেই।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সভার আয়োজন করে ‘খালেদা জিয়া মুক্তি পরিষদ’।

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির আবু নাসের মো. রহমাতুল্লাহ, বিলকিস ইসলাম শিরিন, হুমায়ুন কবির ব্যাপারী, মনজুর হোসেন ঈসা প্রমুখ। আমির খসরু বলেন, ‘তারেক রহমানকে নিয়ে সরকারের যে ভয়ভীতি আছে, তা তাদের কথাবার্তায় প্রকাশ পায়। স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার কারণে রাজনৈতিক নেতারা নিপীড়নের শিকার হয়, তাদের ভয় থাকে। এজন্য তারা অন্যদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় নিতে পারে। এটা একটা সাময়িক ব্যাপার। যত দিন তার জীবনের ভয় থাকবে তত দিন অন্য দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে থাকবে। এর সঙ্গে পাসপোর্ট বা নাগরিকত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ সরকারদলীয় লোকজন বলছে, তারেক রহমানের নাগরিকত্ব আপাতত নেই। নাগরিকত্ব তো সারা জীবনের ব্যাপার এখানে আপাতত বলে কিছু নেই।’

সরকার দেশের মানুষের জন্য গণতান্ত্রিক পরিসর একেবারে সংকুচিত করে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেন আমির খসরু। তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আওয়ামী লীগের দাবি ছিল। সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন হবে- এটাও তাদের দাবি ছিল। এসব এখন তারা পরিবর্তন করে ফেলেছে। সামান্য যেটুকু বাকি আছে এখন তা মন্ত্রী-এমপি দিয়ে দখল করতে চাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন ও গণতন্ত্রের পক্ষে বাংলাদেশের মানুষের জন্য কারও কোনো জায়গা রাখেনি। কোনো স্পেস এখন নেই। যেটুকু জায়গা ছিল সরকার এখন নতুন নতুন কতগুলো আইনের মাধ্যমে, সংস্থার মাধ্যমে দখল করতে চাচ্ছে।’

আমির খসরু বলেন, ‘দেশে মানুষের মৌলিক অধিকার নেই। জীবনের নিরাপত্তাও নেই। আগে এসবের সমাধান করতে হবে। সমাধান না করে নির্বাচনী আইন কী হবে, তা দিয়ে কোনো লাভ হবে না।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে সরকার নীলনকশা করেছে। সেই নীলনকশার অধীনে ক্রমান্বয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার সংকুচিত করতে করতে এমন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে আর কোনো প্রতিপক্ষ থাকবে না। তারাই রাজত্ব করবে। আর সংস্থাগুলোকে সেভাবেই কাজে লাগাচ্ছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ