সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন

‘নেত্রীকে আবারও কারাগারে নেওয়া ভয়ঙ্কর নীল নকশা’

‘নেত্রীকে আবারও কারাগারে নেওয়া ভয়ঙ্কর নীল নকশা’

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত ডেস্ক :বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে আবারও কারাগারে নেওয়াকে ভয়ঙ্কর নীল নকশা বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (০৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

এর আগে বেগম খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল থেকে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে নেওয়া হয়েছে। বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে কালো রঙের একটি গাড়িতে করে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বের করা হয়। ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে কারাগারে ঢোকে খালেদাকে বহনকারী গাড়ি।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শেষ না হলেও জোর করে তাকে হাসপাতাল থেকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে। তার চিকিৎসা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিএসএমএমইউ হাসপাতালে রাখার দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, নেত্রীর চিকিৎসা শেষ না করে আবারও কারাগারে নিয়ে গেছে। এটা একটা ভয়ঙ্কর নীল নকশা। ভয়ঙ্কর অশুভ পরিকল্পনা।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সাথে সংলাপকালে কথা দিয়েছিলেন- নতুন মামলা দেয়া হবে না, গ্রেফতার করা হবে না এবং প্রকৃত রাজবন্দীদের মুক্তির ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের কোনও বিশ্বাস মেলেনি।

তিনি বলেন, গতকালের সংলাপে প্রধানমন্ত্রী ঐক্যফ্রন্টের বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আমিও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, সমাবেশকে কেন্দ্র করে গত তিন দিন ধরে বিএনপি নেতাকর্মীদের চিরুনী অভিযান চালিয়ে ছেঁকে ধরা হয়েছে, তার জন্য।

সাবেক এ ছাত্রনেতা বলেন, জেলা-মহানগরের সভাপতি থেকে শুরু করে সাবেক এমপি কেউই সরকারের গ্রেফতার অভিযান থেকে রেহাই পাননি। এমনকি সমাবেশে আসা ও যাওয়ার পথে হাজারের অধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার করার পর প্রথমে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হবে এই কথা বলে দর কষাকষি করা হয়েছে। অনেক নেতাকর্মীদের কাছ থেকে টাকা নিয়েও ছাড়া হয়নি। এমনকি ৩০০ থেকে ৩৫০ জনের বড় বড় গ্রুপ করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি তল্লাশি ও পুলিশি হানাতে হাজার হাজার নেতাকর্মী ঘরবাড়ী ও এলাকা ছাড়া হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। এইজন্য প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।

তিনি আরও বলেন, সংলাপ কি তাহলে চূড়ান্ত আক্রমণের পূর্বে কিছুটা সময়ক্ষেপণ। তা না হলে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার না করার অঙ্গীকার করার পরও এতো তাণ্ডব, এতো পাইকারী গ্রেফতার! সরকার কি তাহলে প্রতারণা ফাঁদ তৈরি করেছে? প্রধানমন্ত্রী অতিতের মতো বলেন একটা, কিন্তু কাজ করেন অন্যটা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক মুনীর হোসেন, নির্বাহী সদস্য শাহ মো. আবু জাফর প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ