শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০১ অপরাহ্ন

পানিবন্দি চার হাজার পরিবার,শতাধিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ

পানিবন্দি চার হাজার পরিবার,শতাধিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ

নিউজটি শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:লাগাতার ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে প্লাবিত হয়েছে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৪হাজার পরিবার। বন্যার পানি ও অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে উপজেলার ৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান। ওইসব স্কুলগুলোকে ঘোষনা করা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে। ইতোমধ্যে ৯টি স্কুলে বন্যায় প্লাবিত প্রায় ৫০টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে এবং ১০টি স্কুল এরইমধ্যে প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দীন মোহাম্মদ।
দিন দিন বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন গ্রাম। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান জানান বন্যার কারণে উপজেলার চারটি ইউনিয়নে প্রায় ৪হাজারেরও বেশী পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়- উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠা নতুন জনবসতিগুলো বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ওইসব পরিবার সমূহ তাদের উৎপাদিত ধান ও গবাদিপশু নিয়ে বিপদের মধ্যে দিনাতিপাত করছে।
উপজেলা কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা যায়, চারটি ইউনিয়নের প্রতিটিতে একটি করে মনিটরিং টীম গঠন করা হয়েছে। যারা সার্বক্ষণিক এলাকায় বন্যার সার্বিক খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং কন্ট্রোল রুমে তথ্য পাঠাচ্ছেন। তাছাড়া গত দু’দিন থেকে পানিবন্দি মানুষের মাঝে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিতরণ করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে আরো জানা যায়, উপজেলার বন্যা কবলিত মানুষের জন্য আরো দেড়শ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৫ মেট্রিকটন জিআর চাল ও নগদ ৫০হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।
বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শাল্লা ইউপি’র চেয়ারম্যান জামান চৌধুরী ফুল মিয়ার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান আমার নির্বাচনী এলাকার প্রায় প্রতিটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি আছে। আমরা তাদের মধ্যে যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছি তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। আরো ত্রাণ সামগ্রী প্রয়োজন। তিনি আরো জানান বন্যা কবলিত মানুষেরা বিপদে আছে তাদের গবাদি পশু নিয়েও। ওইসব গবাদি পশুগুলোরও খাদ্যের ও বাসস্থানের অভাব তীব্র হয়ে পড়েছে।
বন্যা পারিস্থিতি নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান উপজেলার নতুন জনবসতিগুলো প্লাবিত হয়ে পড়েছে। অনেকেই ঘরের মধ্যে পানিবন্দি রয়েছেন। আমি গত তিনদিন ধরে উপজেলা ঘুরে বন্যা প্লাবিত গ্রামগুলোর মানুষের মধ্যে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছি এবং তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ