সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০৮ অপরাহ্ন

বাংলাদেশকে ফুলের বাগান সাজিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর

বাংলাদেশকে ফুলের বাগান সাজিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর

নিউজটি শেয়ার করুন

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি :: বাংলাদেশ একটি ফুলের বাগান। এ বাগানে নানান বর্ণের রং ও সুগন্ধের ফুল ফুটে প্রকৃতির রুপ বর্ধণে বিকশিত করে। এ ফুলের বাগান সাজিয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা উন্নয়নের রুপ মডেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ বাগানের ফুল হচ্ছে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মানুষজন। বাংলাদেশে অসংখ্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীল সম্প্রদায়ের বসবাস। এসব নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি বাংলাদেশকে ফুলের বাগানের মত বিকশিক করে রেখেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আদমপুর ইউনিয়নের তেতইগাঁও গ্রামে মণিপুরী কালচারাল কমপ্লেক্স্র প্রাঙ্গণে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির বিকাশ ও মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুসহ শিশুশিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ক সচেতনতামূলক সম্মেলনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলি বলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান নুর।

বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের সভাপতি পিডিসন প্রধানের সভাপতিত্বে শিক্ষক সাজ্জাদুল হক স্বপন ও বিলকিছ বেগমের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযৃক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড: আব্দুল আউয়াল বিশ্বাস, ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাক ড: সৌরভ সিকদার।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো: তোফায়েল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহাজালাল, কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ড: কানিজ ফাতেমা, প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সিলেট বিভাগীয় উপ-পরিচারক তাহমিনা খাতুন, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তফাদার রিজুয়ানা ইয়াসমীন (সুমী) ও বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের সহ-সভাপতি জিডিসন প্রধান সুছিয়াং।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজকদের অন্যতম ও বাংলাদেশ মনিপুরী আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সমরজীৎ সিংহ।

প্রধান অতিথি সংস্কৃতি মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান নুর আরও বলেন, এখানে মনিপুরী, খাসিয়া, চা জনগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির বিকাশ ও মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুসহ শিশুশিক্ষার মান উন্নয়নের বিষয়ে কিছু দাবি উপস্থাপন করা হয়। এ কাজগুলো তাঁর একার পক্ষে করা সম্ভবপর নয়। আপনারা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রস্তাবনা তুলে ধরলে মন্ত্রী হিসাবে বাস্তবায়ন করা সহজ হবে। আর এ জন্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগের বিষেজ্ঞরা কর্মরত রয়েছেন। এ সরকারের মেয়াদ আর মাত্র এক মাস আছে। তার পর আবার সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু। আবার নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাধীনতার পক্ষে সরকার ক্ষমতায় আসলে দেশের কল্যাণ হবে। সুষ্ঠু সংস্কৃতি চর্চা হবে। ক্ষুদ্র জাতির গোষ্ঠীর মাঝে চা জনগোষ্ঠী অনেকটা পিছিয়ে আছে। তাদেওর সংস্কৃতির বিকাশে আগামীতে চা শিল্পাঞ্চলে একটি সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

সংস্কৃতি মন্ত্রী আরও বলেন, সামনে নির্বাচন। তবে তিনি সরাসরি ভোট চাইছেন না। শুধু অনুরোধ করেন বিগত ১০ বছর আগের শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান ১০ বছরের বাংলাদেশের কথা ভেবে সবাই সিদ্ধান্ত নিলে অবশ্যই আবারও আওয়ামীলীগকে নির্বাচিত করবেন এটাই বাস্তবতা।

সম্মিলনীর শুরুতেই বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের মণিপুরী, খাসিয়া, চা জনগোষ্ঠী, সাওতাল সসম্প্রদায়ের শিল্পীদের স্থায়ী একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এর পর উত্তরীয় পরিয়ে ও ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ