বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন

মা-ছেলেকে খুন করে তানিয়া ও মামুন

মা-ছেলেকে খুন করে তানিয়া ও মামুন

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত সিলেট : স্বামী-স্ত্রী মিলেই রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রোকনকে হত্যা করা হয়েছে।

পিবিআই’র জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে হত্যার দায় স্বীকার করেছে মূল পরিকল্পনাকারী তানিয়া আক্তার ও তার স্বামী মামুন।

সোমবার (০৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পিবিআই সিলেটের বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল করিম মল্লিক এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, নাজমুলের সঙ্গে নিহত রোকেয়ার সম্পর্ক থাকলেও মূলত তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে রোকেয়া ও তার ছেলেকে হত্যা করে।

জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে হত্যার কারণ হিসেবে তিনি জানান, নিহত রোকেয়া ইয়াবাসহ অনৈতিক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। তানিয়াকে বিপথগামী করার কারণে আক্রোশবশত রোকেয়াকে তারা হত্যা করে।

রোকেয়ার ছেলে রোকনকে হত্যার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘তারা জানিয়েছে রোকন বিভিন্ন সময় তানিয়াকে খারাপ প্রস্তাব করতো। সে ক্ষোভ থেকে তাকে হত্যা করা হয়। এছাড়া তথ্য-প্রমাণ না রাখতে ৫ বছরের শিশু রাইসাকে হত্যা চেষ্টা করে।

রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, মামলাটি তারা ছায়া তদন্ত করছেন। পুরো তদন্তভার পেলে আরো অনেক ক্লু বের করা যেতো।

তানিয়াকে গ্রেফতার করে সিলেটে আনার পর সোমবার বিকেলে পিবিআই সিলেট কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করায় এদিন সন্ধ্যায় ফের প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করেন।
সোমবার (০৯ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার ঘোষকান্দির নিজ বাড়ি থেকে তানিয়াকে গ্রেফতার করে পিবিআই সিলেটের একটি বিশেষ টিম।
তানিয়া ঘোষকান্দির বিলাল মিয়ার মেয়ে। তার আগের স্বামী বাহরাইন প্রবাসী। বছরখানেক আগে মামুনের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে হয় তানিয়ার।

গ্রেফতার ইউনুস খান মামুন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা গ্রামের সারজন খানের ছেলে ও নগরীর তালতলার বাসিন্দা।

সোমবার বিকেল ৩টায় তাদের সিলেট পিবিআই কার্যালয়ে আনা হয়। সেখানে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয় গ্রেফতারকৃত তানিয়া আক্তার ও তার ইউনুছ খান মামুনকে।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই’র বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল করিম মল্লিক আরো বলেন, রোববার (০৮ এপ্রিল) নগরের বন্দরবাজার এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেফতার করা হয়। মামুন একটি ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে জড়িত। তার দেওয়া তথ্য মতে তানিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ১ এপ্রিল নগরের খারপাড়ার ‘মিতালী ১৫/জে’ নম্বর বাসা থেকে রোকেয়া বেগম (৪০) ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রোকনের (১৬) মরদেহ এবং নিহত নারীর শিশুকন্যা রাইসাকে (৫) রক্তাক্ত অবস্থায় জীবিত উদ্ধার করা হয়। এদিন রাতেই দুই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রোকেয়ার ভাই ব্যবসায়ী জাকির হোসেন অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ