রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৯, ০৬:০৩ অপরাহ্ন

সরকার খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে তামাশা শুরু করেছে: রিজভী

সরকার খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে তামাশা শুরু করেছে: রিজভী

রুহুল কবির রিজভী— ফাইল ছবি

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত ডেস্ক:বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে সরকার ‘তামাশা’ শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে শনিবার বিক্ষোভ মিছিল শেষে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, ‘এই সরকার বিএনপি চেয়ারপারসনের ওপর অমানবিক ও নিষ্ঠুর নির্যাতন চালিয়ে বিনা চিকিৎসায় তাকে তিল তিল করে মৃত্যুপথযাত্রী করছে। কয়েকদিন আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গণমাধ্যমকে বলেন– খালেদা জিয়ার যে শারীরিক অবস্থা তাতে যেকোনো সময় একটা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তার স্বাস্থ্যের বর্তমান অবস্থা খুবই খারাপ এবং খুবই উদ্বেগজনক। তারা খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার সুপারিশও করেছেন। কিন্তু সরকার তার জীবন নিয়ে তামাশা শুরু করেছে। এখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও সরকারের সুরে তাল মেলাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে। গণতান্ত্রিক অধিকারহারা মানুষ ভয়াবহ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ। যেকোনো মুহূর্তে জনগণের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে যাবে এবং আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের অবসান ঘটাবে।’

সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, এই সরকার নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দাবিদার মনে করে, কিন্তু তাদের সেই চেতনায় গণতন্ত্রের ছিটেফোঁটাও নেই। ক্ষমতায় চিরস্থায়ীভাবে থাকার চেতনায় তারা দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রকে হত্যা করছে।’

দেশের আইন, আদালত, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ করা হয়েছে– এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এসব প্রতিষ্ঠানকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবেই সরকার এটা করেছে।’

এর আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন রুহুল কবির রিজভী। মিছিলটি নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভুইয়া জুয়েল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়াসিন আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদরাজ জামান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি এস এম জিলানী, উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিনসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।
মিছিল শেষে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, ‘এই সরকার বিএনপি চেয়ারপারসনের ওপর অমানবিক ও নিষ্ঠুর নির্যাতন চালিয়ে বিনা চিকিৎসায় তাকে তিল তিল করে মৃত্যুপথযাত্রী করছে। কয়েকদিন আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গণমাধ্যমকে বলেন– খালেদা জিয়ার যে শারীরিক অবস্থা তাতে যেকোনো সময় একটা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তার স্বাস্থ্যের বর্তমান অবস্থা খুবই খারাপ এবং খুবই উদ্বেগজনক। তারা খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার সুপারিশও করেছেন। কিন্তু সরকার তার জীবন নিয়ে তামাশা শুরু করেছে। এখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও সরকারের সুরে তাল মেলাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে। গণতান্ত্রিক অধিকারহারা মানুষ ভয়াবহ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ। যেকোনো মুহূর্তে জনগণের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে যাবে এবং আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের অবসান ঘটাবে।’

সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, এই সরকার নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দাবিদার মনে করে, কিন্তু তাদের সেই চেতনায় গণতন্ত্রের ছিটেফোঁটাও নেই। ক্ষমতায় চিরস্থায়ীভাবে থাকার চেতনায় তারা দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রকে হত্যা করছে।’

দেশের আইন, আদালত, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ করা হয়েছে– এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এসব প্রতিষ্ঠানকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবেই সরকার এটা করেছে।’

এর আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন রুহুল কবির রিজভী। মিছিলটি নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভুইয়া জুয়েল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়াসিন আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদরাজ জামান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি এস এম জিলানী, উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিনসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ