বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন

সিলেটে মহাসড়কে সিএনজি চলতে দেয়া নিয়ে চাঁদাবাজি :পুলিশের অস্বীকার

সিলেটে মহাসড়কে সিএনজি চলতে দেয়া নিয়ে চাঁদাবাজি :পুলিশের অস্বীকার

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত ডেস্ক :: মাসে হাজার টাকা চাঁদার বিনিময়ে বিশেষ স্টিকার লাগিয়ে সিলেটের মহাসড়কে চলছে সিএনজি অটোরিক্সা। চালকরা বলছেন, পুলিশকে দেয়ার কথা বলে শ্রমিক সংগঠন তুলছে এই টাকা। মূলত অর্থ লেনদেনের কারণেই সরকারি নির্দেশনার পরও সিলেটের মহাসড়কে বন্ধ করা যাচ্ছেনা তিন চাকার যান। তবে, টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে পুলিশ বলছে, মহাসড়কে কোনভাবেই চলতে দেয়া হবেনা তিন চাকার যান।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। বাস ট্রাকের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে তিন চাকার যান। অন্য যানবাহনের তুলনায় সিএনজি অটোরিক্সার দখলেই বলা যায় ব্যস্ততম এই মহাসড়কটি।

এই সড়কে চলা প্রায় সবগুলো সিএনজি অটো রিক্সার সামনের গ্লাসে বিশেষ স্টিকার লাগানো। পাঁচশ থেকে এক হাজার টাকার বিনিময়ে এই স্টিকারগুলো কেনা হয়েছে শ্রমিক সংগঠনের কাছ থেকে। এ স্টিকার থাকা মানে মহাসড়কে চলার বৈধতা। চালকরা জানান, অটোরিক্সা শ্রমিক নেতারা পুলিশকে দেয়ার কথা বলে এই টাকা নিচ্ছেন।

এক সিএনজি অটোরিক্সা চালক বলেন, ‘হাইওয়ে রোডে চলার জন্য টোকেন আছে। এই টোকেন আমরা প্রতিমাসে নিই। ৭০০ টাকা দিই তাদের।’

আরেকজনের অভিযোগ, ‘পুলিশের মাসিক চাঁদা এটা। তারা বলে হাইরোডে আমরা দিচ্ছি, প্রতি মাসে ৫০০ করে দিতে হবে।’

একজন জানান, ‘টোকেনের টাকা দেয়া হয় আমাদের চেয়ারম্যান বা মেম্বারের কাছে। এরপর মেম্বার ওদের কাছ থেকে টোকেন এনে আমাদের গাড়িতে দিয়ে দেয়।’

অধিকাংশ স্টিকারে লেখা দক্ষিণ সুরমা ভুইয়া পাম্প ভার্তখলা। এই পাম্পের পাশের ভবনের তিনতলায় সিলেট জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস। অফিস ও পেট্রোল পাম্পে গেলে কেউ কথা বলেননি। বিষয়টি নিয়ে মহানগর পুলিশের সঙ্গে কথা হয়। যারা পুলিশের নাম ভাঙিয়ে টাকা তুলছে তাদের ধরিয়ে দেয়ার কথা বলেন এসএমপির অতিরিক্ত কমিশনার পরিতোষ ঘোষ।

তিনি বলেন, ‘চত্বর থেকে শুরু করে ঢাকা মহাসড়ক পর্যন্ত তিন চাকার যান- যেমন সিএনজি, ইজিবাইক- এসব চলতে দিচ্ছি না। তারা বরুক আমাদের কাছে চাঁদা চাচ্ছে, তাহলে আমরা চাঁদাবাজির মামলা করবো।’

ট্রাক ও বাস চালকরা জানান, অটোরিক্সা হঠাৎ করে থেমে যাওয়া কিংবা হঠাৎ করে রাস্তার মাঝখানে চলে আসার কারণেই ঘটে দুর্ঘটনা।

যে সিএনজিগুলোর কাগজপত্র ঠিক আছে মহাসড়কে চলাচলের জন্য সেগুলোর কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে পাঁচশ টাকা। আর আর কাগজপত্রে যাদের ঝামেলা আছে তারা মাসে এক হাজার টাকা দিয়ে স্টিকার লাগিয়ে মহাসড়ক ব্যবহার করছে।

সূত্র : সময় টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ