শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

সিলেটে ‘সংবাদপত্র’ অটোরিকশার বিরুদ্ধে মাঠে অ্যাকশনে পুলিশ

সিলেটে ‘সংবাদপত্র’ অটোরিকশার বিরুদ্ধে মাঠে অ্যাকশনে পুলিশ

নিউজটি শেয়ার করুন

কানাইঘাট প্রতিনিধি:কানাইঘাটে রোডপারমিট বিহীন সিএনজি অটোরিকশা গাড়ীতে জরুরী সংবাদপত্র বহনের নাম লাগিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধে মাঠে নেমেছে ট্রাফিক পুলিশ। শুক্রবার ট্রাফিক পুলিশ সংবাদপত্র বহনের নাম লাগানো একটি রোড পারমিট বিহীন সিএনজি অটোরিকশা আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। কানাইঘাট ট্রাফিক পুলিশের টিএসআই হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন যে সব সিএনজি গাড়ীগুলোতে মহান সাংবাদিকতা পেশা কে কলঙ্কিত করে জরুরী জাতীয় সংবাদপত্র বহন ও সংবাদপত্রের নাম লাগিয়ে কানাইঘাটের রাস্তাঘাটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সে সব সিএনজি গাড়ী আটকের জন্য উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা পেয়ে মাঠে নেমেছেন তারা। সাংবাদিক পেশার সাথে যারা সত্যিকার অর্থে জড়িত তারা দীর্ঘদিন ধরে সংবাদপত্রে স্টীকার ও সংবাদপত্র বহনের নাম লাগিয়ে যে সব দুষ্ট চক্র মাসুহারা আদায় করে গাড়ি চালাতে সহযোগিতা করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পুলিশের কাছে দাবী জানিয়ে আসছিলেন। এনিয়ে বিভিন্ন সময় পত্রপত্রকিায় সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন সড়কে কি ভাবে অটোরিক্সা সিএনজি গাড়ী চলে সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। কিন্তু সাংবাদিকতার মতো মহান পেশার নাম ভাংগিয়ে কানাইঘাটে রোডপারমিট বিহীন অটোরিক্সা সিএনজি গাড়ী যেন আর না চলে এ জন্য সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন সহ ট্রাফিক পুলিশের সাথে জড়িত উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে জরুরী জাতীয় সংবাদপত্র বহন ও সংবাদপত্র বহনের নাম গাড়ীতে লিখে সাংবাদিকতা পেশার সুনাম ক্ষুন্ন করে কথিপয় ভূঁইফোড়রা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অবৈধ ভাবে প্রতিটি গাড়ী থেকে মাসে ৭০০/১০০০ টাকা করে আদায় করছে তারা। এতে করে সংবাদপত্র ও পেশাদার সাংবাদিকদের সুনাম মারাত্মক ভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে। অনেকে এনিয়ে সাংবাদিকদের নামে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে থাকেন। কয়েকজন সিএনজি চালকের সাথে কথা হলে তারা বলেন, বিভিন্ন প্রত্রিকার সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ফয়ছল কাদির ও তার সহযোগিরা মাসিক মাসুহারা নিয়ে এসব গাড়ী চালাচ্ছে। এসব ভূঁইফোড়রা ভূয়া অনেক সাংবাদিক সংগঠনের পরিচয় দিয়ে থাকে। সংবাদপত্র বহনকারী স্টীকার লাগানো গাড়ীগুলো চুরাইপণ্য সামগ্রী বহন করে থাকে এধরনের অভিযোগ উঠেছে। সংবাদপত্র বহনের নাম থাকার কারনে পুলিশ এসব গাড়ী আটক করতে সাহস পায় না। মাঝে মধ্যে পুলিশ এসব গাড়ী আটকের চেষ্টা করলে আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকার কার্ডধারী এসব অপকর্মের সাথে জড়িত অপ সাংবাদিকরা পুলিশের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিয়ে থাকে। ভূইফোড় এসব কার্ডধারী সাংবাদিক পরিচয়দানকারীদের কোন সংবাদ পত্রপত্রিকায় চোখে পড়ে না। পত্রিকার কার্ড ব্যবহার করে মহান সাংবাদিকতা পেশার সুনাম ক্ষুন্ন করে রমরমা সিএনজি গাড়ীর ব্যবসা তারা চালিয়ে যাচ্ছে।
এসব অপকর্মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন এবং উপজেলার অটোরিক্সা সিএনজি গাড়ীর স্ট্যান্ডের সাথে জড়িত শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কে সংবাদপত্র বহনের নাম ব্যবহার করে অটোরিক্সা সিএনজি গাড়ী না চালানোর জন্য স্থানীয় সাংবাদিকরা আহ্বান জানিয়েছেন।
সিলেটের তিন রুটে আসছে মাদক, অভিযানেও থেমে কারবারিরা
নন্দিত ডেস্ক
অভিযান, ধরপাকড়, ছদ্মবেশে চিরুনী অভিযান। কোনোভাবেই থামছে না মরণনেশা মাদকের কারবার। খবরের কাগজে চোখ বুলালে র‌্যাব-পুলিশ আর গোয়েন্দাদের অভিযানে গ্রেফতার মাদক কারবারীরা। সিলেটজুড়ে চলছে মাদক বিরোধী অভিযান। শক্ত অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সম্প্রতি বন্ধুকযুদ্ধে মাদক কারবারি নিহতের খবরে সিলেটের সচেতন মানুষের মাঝে স্বস্তি দেখা দেয়। মনে হয় ওই বন্ধ হলো মাদক কারবারীদের মরণনেশার খেলা।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইঘাট আর জকিগঞ্জ মাদকের বড় তিন রুট। দেদারসে মাদকের চালান চলে আসে সিলেট শহরে। ইয়াবা-ফেন্সিডিল, জেনুডিলসহ হরেক রকম মাদকদ্রব্য। ছেয়ে গেছে পুরো সিলেট। থেমে নেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান। তবুও মাদক কারবারীরা কীভাবে চোখ ফাঁকি দেয় সীমান্তের দায়িত্বে থাকা বিজিবি সদস্যদের। এটাই এখন সাধারণ মানুষের প্রশ্ন।
প্রতিদিনই সিলেটের কোথাও না কোথাও মাদকের চালান জব্ধ হচ্ছে। মাদক রাজ্যের রাজা-প্রজারা পাকড়াও হচ্ছেন। গত ২৪ ঘন্টায় র‌্যাব-পুলিশের ৩টি অভিযানে মাদকের বিপুল পরিমাণ চালানসহ গ্রেফতার হন ৪জন। বৃহস্পতিবার রাতে নগরীতে গোয়েন্দা পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ২ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে অভিযান চালিয়ে দক্ষিণ সুরমার বঙ্গবীর রোড এলাকা থেকে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ মোগলাবাজার থানার রায়খাইল গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন (২৮) এবং মজুমদারী এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে মারুফ আহমদকে (২৯) আটক করা হয়।
এ অভিযান পরিচালনা করেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এসআই সৌমেন দাস, এসআই উত্তম রায় চৌধুরী, এএসআই মো. আজদু মিয়া এবং অন্যান্য ফোর্স।
এদের মধ্যে আসামী আলমগীর হোসেন (২৮) এসএমপির কোতয়ালী মডেল থানার ৩টি, দক্ষিণ সুরমা থানার ৩টি, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার ১টি ও সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ১টি মামলার এজাহারভুক্ত আসামী।
এসআই সৌমেন দাস বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ সুরমা থানায় এজাহার দায়ের করলে তাদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি মামলা (নং-০৭) করেছেন।
প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী-জকিগঞ্জ থানা এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
শুক্রবার সকালে র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া অফিসার) মো. মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় মো. আলী আহমেদ (৩০) ও মো. আব্দুস সালাম (৫৪) নামে এ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ এর একটি দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে জকিগঞ্জ থানা এলাকায় অবৈধ মাদক উদ্ধার ও অভিযান চালান। অভিযানের সময় উপজেলার বুরহানপুর গ্রাম থেকে ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এই দু’জনকে আটক করা হয়। ৃত আলী আহমেদ উপজেলার জামরর গ্রামের মো. আকতার আলীর ছেলে ও আব্দুস সালাম একই উপজেলার মনতৈল গ্রামের রফিক আলীর ছেলে। উদ্ধারকৃত আলামতসহ আটককৃতদের আসামীদের জকিগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে কাম্পানীগঞ্জের কলাবাড়ি এলাকায় কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি চোরাই মটরবাইকসহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী কোম্পানীগঞ্জ
সদর (বুড়দেও) গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান সেলিম (৩০)। সেলিম অনেক দিন থেকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ইয়াবার হোম ডেলিভারী ব্যবসায় করে আসছেন বলে জানা যায়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে এক দল পুলিশ বৃহস্পতিবার বিকালের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শাহ আরেফিন টিলার জালিয়ারপাড় গ্রামের ক্লাবের সামনে থেকে ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট সেলিমের পকেট থেকে উদ্ধার করা হয়।
এব্যাপারে পুলিশ উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান রাতে বাদি হয়ে সেলিমের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানান, কোম্পানীগঞ্জ মাদক মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলবে। মাদক ব্যবসায়ীদের কোন ধরণের ছাড় দেয়া হবে না সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ