সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন

সিলেট-৩ সাত প্রতিদ্বন্দ্বী কয়েসের 

সিলেট-৩ সাত প্রতিদ্বন্দ্বী কয়েসের 

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত ডেস্ক : সিলেটের দক্ষিন সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ, এই তিনটি উপজেলা মিলে নির্বাচনী আসন সিলেট-৩। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৯৬ জন। দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানা শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি, সরকারি-বেসরকারি ছয়টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রসহ সরকারি বেসরকারি স্থাপনা গড়ে ওঠায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সিলেট-৩ আসন।

ইতোমধ্যে শুরু হওয়া নির্বাচনী হাওয়া লেগেছে আসনের প্রতিটি এলাকায়। প্রার্থী কে হবেন, কোন দল কাকে দিচ্ছে, কার কি অবদান এ সবই এখন আলোচনার বিষয়। সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলের মনোনয়নের লবিংয়ের পাশাপাশি নিজেদের জন্য গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই আসনে প্রতিটি দল বা জোটেই রয়েছে একাধিক প্রার্থী, সবার দাবি দল থেকে নিজেই পাবেন মনোনয়ন। নানা ‘গুজব’ আর চুলচেরা বিশ্লেষণের পাশাপাশি চলছে একে অন্যের কাদা ছোড়াছুঁড়ি। এলাকার উন্নয়নের বিভিন্ন চিত্র দেখিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে মাঠে রয়েছেন দলের বেশ কয়েকজন নেতা।

বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস। ২০০৮ এর নির্বাচনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী শফি আহমদ চৌধুরীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য হন তিনি। এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন। তৃতীয়বারের মতো সাংসদ হবার জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়েছেন এই সংসদ সদস্য। তবে এবার মনোনয়ন পাওয়াটা তাঁর জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেই মনে হয়। দলের বেশ কজন ইতিমধ্যেই এই আসনে মনোনয়ন চেয়েছেন। নিজেদের প্রচারণার চেয়ে বর্তমান সাংসদের সমালোচনা নিয়েই ব্যস্ত প্রায় সবাই। তবে মাহমুদ উস সামাদ মনে করেন গত দুই মেয়াদে এলাকার উন্নয়নের কারণে তাঁকেই বেছে নেবে দল।

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী বলেন, ‘আমার নির্বাচনী আসনের ৩টি উপজেলাই শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের সর্ববৃহৎ সার কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যে উন্নয়ন হয়েছে তাতে আমার নির্বাচনী এলাকা কোনোভাবেই পিছিয়ে নেই।’

তিনি বলেন, আমার এই দুই মেয়াদে সাংসদ থাকাকালীন সময়ে পৌনে আট হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে এই আসনে। নিজ দলের এতো মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটাতো ভালো, এটা আমারই সফলতা। বিগত ১০ বছর আগে এখানে নৌকার কান্ডারি আমি ছিলাম। আমার রাজনৈতিক সফলতার কারণেই আজ এতো এতো নেতা হয়েছেন। এই আসনটি আগে অবহেলিত ছিলো, আমার উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের কারণে এই আসন এখন সবার কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।’

মহাজোটের প্রার্থীকে ছাড় দেবার গুঞ্জনের ব্যাপারে তিনি বলেন, এসব অপপ্রচার। এখনো তো দলের মনোনয়নই চূড়ান্ত হয় নি, তারপর না আসন ভাগাভাগির ব্যাপার। নিজের প্রার্থীতার ব্যাপারে অনেকটাই নিশ্চিত সিলেটের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই নেতা।

এই আসনে মাহমুদ উস সামাদ ছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়েছেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু জাহিদ, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতা হাবিব হোসেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছিত টুটুল, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এ আর সেলিম, সাংবাদিক শাহ মুজিবুর রহমান জকন ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মনির হোসাইন।

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ