সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৫:১০ অপরাহ্ন

সেনাবাহিনী নামার পরও কেন এত সহিসংতা-প্রশ্ন রাজনীতিকদের

সেনাবাহিনী নামার পরও কেন এত সহিসংতা-প্রশ্ন রাজনীতিকদের

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দিত ডেস্ক:একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দাবির মুখে অবশেষে সারা দেশে মাঠে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

নির্বাচনের ৬ দিন আগে গত ২৩ ডিসেম্বর রাত ১২টার পর থেকে সারা দেশে সেনাবাহিনী নামতে শুরু করে। বলা হয়েছে-নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বেই সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।
এরই মধ্যে সেনা মোতায়েনের প্রায় দুদিন পেরিয়ে গেলেও বাস্তবে ভোটের মাঠে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ কিংবা বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা-মামলা, দমন-পীড়নে দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন দেখছেন না দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সোমবার প্রথম দিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সেনাবাহিনীর টিম রাস্তায় টহল দিয়েছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী কাজ শুরু করেছে ৩৮৯ উপজেলায় এবং নৌবাহিনী কাজ করছে ১৮ উপজেলায়।

কিন্তু বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, আগের নির্বাচনগুলোতে দেখা গেছে-সেনাবাহিনী নামার সঙ্গে সঙ্গে সন্ত্রাসী ভয়ে পালিয়ে যেত। কিন্তু এবারের চিত্র একেবারেই উল্টো। কয়েক দিন ধরে বিরোধী রাজনৈতিকদের ওপর যেভাবে চড়াও হচ্ছে-আগের কোনো নির্বাচনে ততটা দেখা যায়নি।
সেনা মোতায়েনের পরও সারা দেশে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। দলটি দাবি করেছে-২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২৮টি নির্বাচনী আসনে হামলা হয়েছে।

এতে ধানের শীষের ১৯ প্রার্থীসহ আহত হয়েছে শতাধিক। নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এমন দাবি করে বলেন, সোমবার ছিল সবচেয়ে সহিংস দিন। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের টেক্কা দিয়ে পুলিশই সন্ত্রাসী আক্রমণে প্রাধান্যে থেকেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের প্রার্থীর প্রচার ও সমাবেশে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা ততই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কেন্দ্রদখল করে জাল ভোট মারতে দলে দলে প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ।

রিজভী বলেন, সেনা মোতায়েনের পরও অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। আমরা সবাই প্রত্যাশা করেছিলাম-সেনাবাহিনী মোতায়েনের পর পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হবে। আমরা এখনও বিশ্বাস করি, পরিস্থিতির উন্নতি হবে। যেসব এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন হয়েছে, ওই সব এলাকার সন্ত্রাসীদের ধরা ও নির্বাচনে শান্তির পরিবেশ সৃষ্টির ব্যবস্থাগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী সন্ত্রাসী ও পুলিশি হামলায় নোয়াখালীতে সোমবার মওদুদ আহমদ, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নরসিংদীর ড. আবদুল মঈন খান, ভোলায় মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, শরীয়তপুরে মিয়া নুরউদ্দিন আহমেদ অপু, কিশোরগঞ্জের মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, শরীফুল আলম, শেরপুরে সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকাসহ বিভিন্ন আসনে ধানের শীষের প্রার্থীদের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনা তুলে ধরেন রিজভী আহমেদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *







© All rights reserved © 2017 Nonditosylhet24.com
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ